স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গতকাল বৃহস্পতিবার দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন, খুলনা মহানগরীর বাগমারা মেইন রোডের বাসিন্দা খান আ: মান্নান(৬৯) এবং টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা আমসুউদ্দীন আহমেদ(৭৫)।
খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও) এবং করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের মুখপাত্র ডা: সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, মাগমারার খান আ: মান্নান করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ এপ্রিল এ হাসপাতালের রেডজোনে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টায় মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া টুটপাড়ার আমসুউদ্দীন ১০ মে ভর্তি হয়ে গতকাল সন্ধ্যা ছয়টা ৫৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।
এদিকে, খুলনা মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যাবে গতকাল ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষার পর ৭৩ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর মধ্যে খুলনার ৫২জন, বাগেরহাটের ১০জন, সাতক্ষীরার একজন, ঢাকার দু’জন, যশোরের দু’জন, নড়াইলের দু’জন, ঝিনাইদহের দু’জন, চুয়াডাঙ্গার একজন এবং টাঙ্গাইলের একজন রয়েছেন।
অপরদিকে, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: রাশেদা সুলতানা বলেন, গতকাল সকাল আটটা পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় সর্বমোট ৩২ হাজার ৭৩৮জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩০ হাজার ৪০৫ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৬০১জন।
ভ্যাকসিন ঃ খুলনায় গতকাল বৃহস্পতিবার করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৯০৯জন। অর্থাৎ এ পর্যন্ত সর্বমোট টিকার দ্বিতীয় নিয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৫০৯জন। দ্বিতীয় ডোজের টিকা খুলনায় আসে এক লাখ ২৫ হাজার। গতকাল পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার পর এখন বাকী রয়েছে মাত্র এক হাজার ৪৯১টি টিকা। সে অনুযায়ী আর হয়তো একদিন অথবা খুব বেশি হলে দু’দিন চলতে পারে। কিন্তু যাদেরকে ইতোমধ্যেই প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে তাদের জন্য দ্বিতীয় ডোজ না আসলে দুই মাসের মধ্যে অনেকেরই টিকা দেয়া নাও হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তাছাড়া ইতোমধ্যেই অনেকের দুই মাস অতিবাহিত হয়ে তিন মাসে পড়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় ডোজের জন্য কোন এসএমএস আসেনি।
এ ব্যাপারে খুলনার সিভিল সার্জন ডা: নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, প্রথম ডোজ নেয়ার দু’মাস পর থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু টিকা না থাকায় একটু দেরি হচ্ছে।