সুন্দরবন উপকূলে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা

স্টাফ রিপোর্টার: অবশেষে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটির নাম দেওয়া হয়েছে জাওয়াদ। ঘূর্ণিঝড়টি আগামীকাল দপুরে উড়িষ্যার পুরি ছুঁয়ে দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধাবিত হতে পারে। এর প্রভাবে খুলনা ও বরিশাল উপকূলে ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে একই সাথে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আজ আকাশে মেঘের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। সমুদ্রবন্দরসমূহকে ২নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে দিকে বলা হয়েছে।
এদিকে কলকাতার আলিপুর হাবহাওয়া অফিস জানায় আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের অদূরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে জাওয়াদে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেটি অবস্থান করছে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে। হাওয়া অফিসের তরফে আরও জানানো হল, পুরী ছুঁয়ে জাওয়াদ পশ্চিমবাংলার দিকেই এগিয়ে আসতে পারে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার সকালের মধ্যেই উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িষ্যার উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে জাওয়াদ। তার পর আরও কিছুটা উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ওড়িষ্যা উপকূল বরাবর সরে আগামী ৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ রবিবার দুপুর-বিকেল নাগাদ পুরী উপকূলের কাছে পৌঁছবে।

জাওয়াদ ঠিক কোথায় এবং কোন সময় স্থলভাগে আছড়ে পড়বে, তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানায়নি আবহাওয়া অফিস। আপাতত রবিবার পর্যন্তই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এর পর জাওয়াদের অভিমুখ বাংলার উপকূল হলেও এখনও স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেননি আবহবিদরা। জাওয়াদ আদৌ স্থলভাগে আছড়ে পড়বে নাকি শক্তি হারিয়ে সমুদ্রেই বিলীন হয়ে যাবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় হাওয়া অফিস।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার সকাল থেকেই উপকূল এলাকাগুলিতে ৪৫-৬৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। সন্ধ্যার দিকে তা বাড়তে বাড়তে প্রতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার হতে পারে।
এদিকে উঠতি আমন মৌসুমে মাঠভরা ফসলের পাকাপর্যায়ে এখন ঘূর্ণিঝড়ের খবরে উদ্বিগ্ন কৃষক। ঝড়ের প্রভাব তেমনি না পড়লেও বাতাস হলেই হেলে পড়বে পাকা ধান।