—এ্যাড: সুজিতের অভিনন্দন

করোনা সংকটে জীবন-জীবিকার প্রাধান্য দিয়ে দুর্যোগকে মোকাবেলা করতে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের জনবান্ধব বাজেট পেশ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট আইনজীবী জননেতা এ্যাড: সুজিত অধিকারী। বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ইতিহাসে দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট উপহার দিয়েছেন সরকার। মানবিক এ বাজেটে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। বাঙালি জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সাহস যুগিয়েছে। এ বাজেট সমৃদ্ধি এবং আগামীর স্বপ্ন পূরণের বাজেট বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এ বাজেটে নিজস্ব অর্থনৈতিক উৎসের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। স্বাধীনতার সূর্য সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। দেয়া হয়েছে শিক্ষিত যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থানের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব। বাজেটে এডিপিতে দারিদ্র্য বিমোচন ও জিডিপির প্রবৃদ্ধির ত্বরান্বিতকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, আইসিটির উপর একইভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির লক্ষে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, বাজেটে নারীর ক্ষমতায়ন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তার উপর অনধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যাতে করে অর্থহীন মানুষ তাদের দু:সময়ে বিভিন্ন ভাতা পেতে পারে। সেজন্যে বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ বাজেটকে একটি মানবিক বাজেট বলে আখ্যায়িত করেছেন নেতৃবৃন্দ।
করোনা মহামারির চলমান সময়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষের বাজেটে বিশ্ব অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের অর্থনীতির সামঞ্জস্যতার নিরিখে বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে করোনা মোকাবিলা। দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে করোনার বিস্তার রোধে মনোযোগ দেয়া হয়েছে। এ জন্য টিকা দেওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। গুরুত্ব দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যশিক্ষায়। করোনার এই সংকটকালীন এ খাতের জরুরি চাহিদা মেটাতেও এবারের বাজেটে এ খাতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যশিক্ষা খাতকে ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় আনা এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ২০ ফেব্রুয়ারি একটি ভাষণের বলেছিলেন ‘আমাদের এমন একটা সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যে সমাজে কৃষকরা, ক্ষুধার্ত জনগণ আবার হাসতে পারবে।’ অর্থাৎ এ কৃষক শ্রমিক বঞ্চিত মানুষ তাদের ভাগ্য গড়া এটিই ছিল জাতির পিতার স্বপ্ন। সেটাই তিনি করতে চেয়েছিলেন। জাতির পিতার সেই আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের ক্ষুধার্ত জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। গত একযুগে দেশ কতটা উন্নত হয়েছে তা গত তিন মেয়াদের বাজেট পর্যালোচনা করলে যে কেউ বুঝতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি।-খবরঃ বিজ্ঞপ্তির।