এক মাস সিয়াম সাধনার পর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন যাপন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সারাদেশের বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দান ও মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।নামাজ শেষে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কোলাকুলির পাশাপাশি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এবার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো বিধিনিষেধ না থাকলেও মসজিদের প্রবেশ করা অনেকের মুখেই মাস্ক দেখা যায়।ঈদের দিন সকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও মৃদু থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে নামাজ শেষে বাসায় ফিরতে ভোগান্তিতে পড়েন মুসল্লিরা। সকালে আকাশে মেঘ থাকায় মুসল্লিরা ঘর থেকে ছাতা নিয়ে বের হন। খোলা আকাশের নিচে ঈদগাহে জামাত আয়োজনে বিপত্তি দেখা দেয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনেক ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। সেখানে পার্শ্ববর্তী মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে বৃষ্টি হওয়ায় গরম থেকে রক্ষা পেয়েছে মানুষ। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বঙ্গভবনের দরবার হলে তার পরিবারের সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।করোনা পরিস্থিতির কারণে দুই বছর পর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। নামাজ শুরুর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। এর আগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান।বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফিরছেন মুসল্লিরা। ছবি: তানভির আহমেদ
এ ছাড়া কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া এবং দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে দুটি বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন মসজিদ, ঈদগাহ ময়দান এবং খোলা মাঠেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।এদিকে, ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।