বাংলাদেশের টার্গেট ছিল সুনীল যেন বাংলাদেশের রক্ষণ দেয়ালকে ছত্রভঙ্গ করতে না পারে। রক্ষণভাগটাকে এক সুতোয় মালা গেঁথে ভারতের বিপক্ষে লড়াই করতে নেমেও একটা ভুলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুনীল গোল করেন। ১০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৭৬তম গোলটি করলেন সুনীল।গোল হজম করেও বাংলাদেশ কোনো দিক থেকে পিছিয়ে ছিল না। লড়াকু মনোভাব বাংলাদেশকে চাঙ্গা রেখেছিল। তপু বর্মনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুনীল যে সুযোগটা কাজে লাগিয়েছিলেন সেই সুযোগ আর একটি বারও পাননি সুনীল। কারণ বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও জামাল ভুঁইয়া, তারিক কাজী, বিশ্বনাথ ঘোষ, বিপলু, উইংয়ে রকিব হোসেন, সাদ উদ্দিন, মতিন মিয়াদের আত্মবিশ্বাসী ফুটবল নিজেদের মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরি করেছে।২৬ মিনিটে হজম করা গোলটা ফিরিয়ে দেওয়ার লড়াকু বাংলাদেশকে দেখে মনেই হয়নি তারা মাথা নত করছে। ভুলত্রুটি যা কিছু হয়েছিল তার যেন সময়ের ব্যবধানে মুছে যাচ্ছিল। ঠিক এমন সময় ৫৪ মিনিটে সরাসরি লালকার্ড পান বিশ্বনাথ ঘোষ। রাহুলকে টেনে ফেলে দেওয়ায় লালকার্ড পান। খেলা দেখে মনে হয়নি ১০ জনের বাংলাদেশ খেলছে।উলটো আক্রমণে ধার বাড়ান কোচ ব্রুজন। ৬৫ মিনিটে ইব্রাহিমের বদলে সুফিল, ৭২ মিনিটে মতিনের সুমন রেজা এবং বিপলুর বদলে সোহেল রানা মাঠে নামেন। তার পরই বদলে যায় চিত্র। ৭৪ মিনিটে জামালের কর্নার, রাকিব ব্যাক হেড করে ভারতের গোল মুখে বল ফেলেন। ছোট বক্সে ওৎ পেতে থাকা ডিফেন্ডার ইয়াসিন আরাফাত বলটাকে মাথা লাগিয়ে ভারতের জালে জড়িয়ে দেন। ম্যাচের সব ভুল মুছে যায়। ভারতীয় ফুটবলাররা পারছিলেন না ঠেকাতে। সময়টা শেষ হয়ে যায়। ড্র নিয়ে মাথা নিচু সুনীলদের।