/ ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রের জন্য জীবনবাজী রেখে সকলকে কাজ করতে হবে- অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রের জন্য জীবনবাজী রেখে সকলকে কাজ করতে হবে- অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর খুলনা-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, সমাজে রাষ্ট্রে দূর্নীতি, ঘুষ, হত্যা, সন্ত্রাস বন্ধ করতে হলে আল্লাহর দেয়া জীবন বিধান আল-কুরআন নির্দেশিত ও মহানবী হয়রত মুহম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পথে চলতে হবে। আর এই পথে চলতে গিয়ে যুগে যুগে নবী রাসুল ও সাহাবায়ে কেরাম, প্রকৃত আল্লাহ বান্দা কুরআন প্রেমী মুসলমানরা জালিম, খোদাদ্রোহী শাসকদের নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়েছেন এবং বর্তমানেও হচ্ছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তার বাইরে নয়। দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর যাবত জামায়াতে ইসলামীর ভাইরেরা সহ কুরআন প্রেমী মানুষ চরমভাবে জালিম শাসকের জুলুমের শিকার হয়েছেন। তারপরও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ঘরে বসে থাকেননি। তারা এদেশকে একটি ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিনত করতে জীবন বাজী রেখে কাজ করে যাচ্ছে। এখন সময় এসেছে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সকলকে কুরআন ও রাসুল (সা.) প্রেমীকদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে রায় দিয়ে ইসলামী তথা ইনসাফ ও কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েমের জন্য কাজ করতে হবে।
গতকাল বুধবার খুলনা-৩ আসনের দৌলতপুর থানার ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে গনসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তার সঙ্গে আইবিডাবিøএফ সেক্রেটারি এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, বি এল কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবির, বি এল কলেজ ছাত্রশিবির অফিস সম্পাদক আব্দুল্লাহ বুখারী, দৌলতপুর উত্তর সেক্রেটারি সালমান ফারসি, ১ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর মো. রেজাউল কবির, সেক্রেটারি মাওলানা সেলিম রেজা, ১ নং ওয়ার্ড মহিলা জামায়াত সেক্রেটারি হালিমা জব্বার, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সেক্রেটারি ওসমান, ছাত্রশিবিরের ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি হাফেজ সামসুল হক, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, জামায়াত নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন আলমগীর, ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক হাবিবুর রহমান কানু, প্রচার সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ইউসুফ মিয়া, আব্দুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা সেলিম, আব্দুল হালিম, লায়লি বেগম, সুরাইয়া কান্তা, নাজমা আক্তার, মিস মায়েশা, আয়েশা, জালাল শেখ, আব্দুল্লাহ, বেলায়েত, জাহাঙ্গীর, জিয়া, শহীদুল, জয়নাল আবেদীন, ইয়াসিন, মিজানুর রহমান, শহিদুল আলম, আরিফ, রোজিনা মিয়া, ছাত্রশিবির নেতা আব্দুল ওয়াসি, আব্দুল্লাহ ইসলাম, তাজুল ইসলাম, ওসমান, তানভীর আজাদ ওভি , নাজিম খান, হাফেজ আব্দুল্লাহ, এসকে আলামিন, হাফেজ আরাফাত, আজিজুল ইসলাম, খায়রুল বাশার প্রমুখ।
অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ ভারতীয় আধিপত্যবাদ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। মানুষ পরিবর্তন চায় এবং দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, আমার পক্ষে যারা নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে, তাদের পাশাপাশি আমাদের দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় নানাভাবে হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। এতে করে তারা স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে আমাদের নারী সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।-খবরঃ বিজ্ঞপ্তির \