যশোর ব্যুরো : সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে যশোর শহরে অবৈধ ভারতীয় বাজি পটকার ব্যবসা জমে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব বাজি পটকা ভারত থেকে এনে গোপনে শহরের বিভিন্ন গোডাউনে মজুদ করে পরে দোকান ও গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তারা ভারত থেকে উচ্চ শব্দের বাজি পটকা এনে শহরের বিভিন্ন স্থানে মজুদ রাখে এবং রাতের আঁধারে স্থানীয় ও বিভিন্ন জেলার দোকানদারদের কাছে সরবরাহ করে। ঈদকে ঘিরে এ ব্যবসা আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, শহরের কিছু অসাধু সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তার যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এ অবৈধ ব্যবসা চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে একদিকে জননিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে শিশু-কিশোরদের মধ্যেও ঝুঁকিপূর্ণ আতশবাজি ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
স্থানীয়রা জানান, শহরের আলু পট্টি এলাকার ভারতীয় কসমেটিক মার্কেট হিসেবে পরিচিত স্থানে থাকা কয়েকটি দোকান থেকে প্রকাশ্যে এসব বাজি পটকা বিক্রি করা হচ্ছে। এ চক্রের কয়েকজন সদস্য আটক হয়েছিল। তবে পরে তারা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে আবারও একই অবৈধ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গেলে চিত্র শিল্পী হানিফ ডাকুয়াকে সংঘবদ্ধ গ্রুপের সদস্যরা বাধা দেয় এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল অবৈধ বাজি পটকার এ ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত অভিযান চালিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে ঈদকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এবিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন বলেন, এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।