/ খুলনার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

খুলনার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

খুলনা জেলা বিএনপি’র শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। গত দেড় যুগ ধরে জনগনের অর্থ লুটপাট ও অনিয়ম-দুর্নীতির সূতিকাগার জেলা পরিষদগুলো দুর্নীতিমুক্ত জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি নেতৃবৃন্দ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন করেছেন। রোববার (১৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ খুলনা জেলা পরিষদকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুত জনসেবার অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, মো. তৈয়েবুর রহমান, এসএম শামীম কবির, গাজী তফসির আহমেদ, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, অসিত কুমার সাহা ও এনামুল হক সজল প্রমুখ।।

তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় নবনিযুক্ত প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

খুলনা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত জনবান্ধব কল্যাণকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো দুর্নীতিবাজদের ঠাঁই জেলা পরিষদে হবে না। জেলা পরিষদ হবে জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান। তৃণমূল জনগোষ্ঠির দ্বোরগড়ায় জেলা পরিষদের প্রাপ্য আর্থিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দেয়াই হবে আমার মূল কাজ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে খুলনা জেলা পরিষদ হবে একটি নিঃস্বার্থ সেবামুলক প্রতিষ্ঠান।
রবিবার (১৫ মার্চ) ইফতারের পর নগরীর কে.ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সাথে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

এরআগে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিনবারের সাবেক প্রধামন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তাঁদের কণিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকো, মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ‘২৪ এর গণঅভ্যান্থানে শহীদদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেন।


খুলনাবাসীর প্রত্যাশা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি। একই সাথে মহান আল্লাহ্’র প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী-পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী আরও বলেছেন, খুলনা জেলার অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চল রয়েছে- যেখানে এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সেই সব প্রত্যন্ত অঞ্চলে জেলা পরিষদের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সুফল পৌঁছে দেবো। মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো আমরা নিশ্চিত করতে চাই। খুলনা জেলাকে একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করতে চাই। সততা ও নিষ্ঠার সাথে স্বজনপ্রীতির উর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্রীয় অর্থ যাতে তছরুপ না হয় সেদিকে নজর রেখে জেলা পরিষদের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবো।


প্রসঙ্গত্ব, খুলনাসহ দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে রোববার (১৫ মার্চ) নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।।