মোরেলগঞ্জ জমে উঠেছে ঈদের বাজার
এম. পলাশ শরীফ, মোরেলগঞ্জ : পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ জমে উঠছে ঈদের পোশাকের বাজার। কাপড়ের বস্ত্রালয়গুলোতে লোকসমাগম কম থাকলেও গার্মেন্টস দোকানে বাড়ছে ভিড়। গতবারের চেয়ে প্রতিটি পোশাকে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৪শ’ থেকে ৫ শ’ টাকা। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পোশাকে সাজিয়েছেন গার্মেন্টসগুলো। এবারে মেয়েদের ল্যাডিস আইটেমে নতুন নতুন পোশাকে ভাইরাল হয়ে মন কেড়েছে ফারসি ড্রেস পাশাপাশি সারারা গারারা, লেহাঙ্গা, রেডি থ্রিপিছ, গাউন্ড ফোরাগ সহ নানা পোশাকাদি শিশুদের পোশাকের চাহিদা ও বাজারে কমতি নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মোরেলগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের কাপুরিয়া পট্টি সড়কের গার্মেন্টস গুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। ঈদের কেনা কাটায় জমে উঠেেছ। ২৩ রমজান ঈদের আর মাত্র ৭ দিন বাকী। ঈদকে সামনে রেখে প্রত্যান্ত গ্রাম থেকে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে পোশাক গার্মেন্টস কাপরের দোকানগুলোতে বেশির ভাগই কেনা কাটা করছেন। পৌর শহরের ছোট বড় অর্ধ শতাধিক গার্মেন্টস রয়েছে। কাপরের দোকান রয়েছে ২০/২৫ টি। বিক্রেতারা বলছেন গত বারের চেয়ে এবারে ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি। মূলত ১৫ রমজানের পর থেকে দোকানগুলোতে ক্রমনেই ভিড় বাড়ছে। তবে গত বছরের চেয়ে প্রতিটি পোশাকে ৪ শ’ থেকে৫ শ’ টাকা দাম বৃদ্ধি হয়েছে।
মেয়েদের পোশাক বেশি চলছে চাহিদা অনুযায়ী মার্কেটে সারা ফেলেছে পাকিস্তানি ফারসি ড্রেস। সর্বনিম্নে ৪ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি ড্রেস বিক্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি সারারা গারারা ৩ থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত। লেগেঙ্গা ৬/৭ হাজার সর্ব্বোচ্ছ ১০ হাজার টাকার ও পোশাক মার্কেটে বিক্রয় হচ্ছে। আবার ১ হাজার টাকায় ও পাচ্ছেন ক্রেতারা কাপরের গুনগত মান ডিজাইনের ক্ষেত্রে দাম কম বেশি হয়ে থাকে। ছেলে মেয়েদের টি সার্ট পোলও সার্ট পাঞ্জাবীর ক্ষেত্রে কাশমীরি পাঞ্জাবী পাকিস্তানি, পার্টি পাঞ্জাবী, মুসলিম ব্রান্ড, ওয়ান পয়েন্ট দামের ক্ষেত্রে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা আবার সর্ব নিম্নে ১৫ শ’ থেকে ২৫ শ’ টাকার মধ্যে রয়েছে। শিশুদের পোশাকের ক্ষেত্রে স্কার্ট, ওয়াশ জর্জেট ফোরাগ বেশি চলছে। ছেলেদের জিঞ্জ প্যান্ট নতুন কালেকশন ডিস্টাব জিঞ্জ, রোকিজ, আরমানি দামের ক্ষেত্রে ৭ শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। কাপরের দোকানে তেমন একটি চাহিদা নেই বলে জানালেন কাপর ব্যবসায়ীরা তবে পাকিস্তানি থ্রীপিছ, জর্জেট, রিনার্স, মালাহার কাটতি হচ্ছে বেশি। মেয়েদের বোরকা কাপরও বেশি চলছে ৩ আইটেমের দামেও রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন।
কথা হয় আইরিন গার্মেন্টেস এর মালিক মোঃ হাসান শেখ বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি দোকানেই নতুন নতুন কোয়ালিটি মানসম্মত গুনগত মানের কাপড়ের পোশাক তোলা হয়েছে। এখন আর জেলা বিভাগীয় শহরে কেনা কাটার জন্য নয় ক্রেতারা মফস্বল এ দোকানগুলো থেকে কেনা কাটা গতবারের চেয়েবেশি করছেন দাম ও ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। নবাব গার্মেন্টস এর মালিক রবিউল ইসলাম বলেন ক্রেতাদের কাছে ১১ বছরের ব্যবসায় আস্তা অর্জন হয়েছে গুনগত পোশাক পেতে হলে নবাব গার্মেন্টস। ভূইয়াদের কাপরের দোকানের মালিক বলাই ভৌমিক বলেন এবারে কাপর তেমন একটা কার্তি নেই তবে থ্রীপিছ বেশি চলছে।