/ হেরাজ মার্কেট মসজিদ ইস্যুতে জেলা ইমাম পরিষদের প্রতিবাদ

হেরাজ মার্কেট মসজিদ ইস্যুতে জেলা ইমাম পরিষদের প্রতিবাদ

সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য মিথ্যা দাবি

নগরীর হেরাজ মার্কেট জামে মসজিদে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ। পরিষদের নেতারা দাবি করেছেন, মার্কেট কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমাম পরিষদ নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করেছেন।


গত মঙ্গলবার সকাল ৭টায় নগরীর ডাকবাংলা জামে মসজিদে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের জরুরি সভা থেকে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
পরিষদের সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুশতাক আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সহ-সভাপতি মাওলানা মোশাররফ হুসাইন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাসিরুদ্দিন কাসেমী, মাওলানা এ এফ এম নাজমুস সউদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি জিহাদুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিষয়ক সম্পাদক মুফতি গুলামুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আনোয়ারুল আজম, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক মোল্লা মিরাজুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সভায় জানানো হয়, গত ১৮ এপ্রিল হেরাজ মার্কেট জামে মসজিদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাজমুস সাকিব পিন্টু সংবাদ সম্মেলনে ইমাম পরিষদ ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, যা সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ইমাম পরিষদের নেতারা বলেন, মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অনৈতিকতার অভিযোগ ছিল না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি আপত্তিকর ভিডিওকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিরসনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু লিখিতভাবে ইমাম পরিষদকে নিরপেক্ষ তদন্তের দায়িত্ব দেন।


তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় ইমাম পরিষদ। এ লক্ষ্যে গত ১৮ এপ্রিল পরিষদের নেতৃবৃন্দ হেরাজ মার্কেট জামে মসজিদে উপস্থিত হয়ে আসরের নামাজ আদায় করেন এবং পরে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রতিবেদন হস্তান্তরের বিষয়ে কথা বলতে গেলে নাজমুস সাকিব পিন্টু আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। যার ফলে মসজিদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এসময় ইমাম পরিষদের নেতারা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
সভায় মসজিদের মধ্যে এ ধরনের আচরণকে নিন্দনীয় উল্লেখ করে বলা হয়, পরবর্তীতে নাজমুস সাকিব পিন্টু ও তার সহযোগীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইমাম পরিষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে আলেম সমাজকে হেয় করেছেন।


ইমাম পরিষদের পক্ষ থেকে নাজমুস সাকিব পিন্টুকে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।-খবর : বিজ্ঞপ্তির