ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, দিঘলিয়া (খুলনা) : দিঘলিয়া উপজেলার ৪ নম্বর সেনহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া গাজীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হবে না, তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক, খুলনার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখা থেকে গত ২৭ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দিঘলিয়া উপজেলার ৪ নম্বর সেনহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়া গাজী ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন না হওয়া সত্ত্বেও গত ১৬ মার্চ ও ২২ মার্চ ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করেছেন। বিষয়টি প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমীচীন নয় বলে সরকার মনে করে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যান জিয়া গাজীর এ কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদ ও জনস্বার্থের পরিপন্থী। এ কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪)(খ), ৩৪(৪)(গ) ও ৩৪(৪)(ঘ) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় একই আইনের ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই অভিযোগে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে গত ২৭ আগস্ট তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে কেন তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হবে না, তার জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক, খুলনার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাস গুপ্ত বলেন, এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি গত বৃহস্পতিবার তাঁর দপ্তরে এসে পৌঁছেছে। সে অনুযায়ী সেনহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া গাজীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।