/ ফয়লাহাট-খানপুর-বারাকপুর সড়কের ৬ কিলোমিটারের বেহালদশা

ফয়লাহাট-খানপুর-বারাকপুর সড়কের ৬ কিলোমিটারের বেহালদশা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফয়লাহাট( রামপাল) বাগেরহাট : ফয়লাহাট — খানপুর — বারাকপুর ১১ কিলোমিটার সড়কের ৬ কিলোমিটার সড়কের বেহালদশা হয়েছে। সাধারন মানুষ দুর্ভোগ মাথায় নিয়ে প্রতিদিন এ সড়কে যাতায়াত করতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে।।
জানা গেছে রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট থেকে বাগেরহাট সদরের বারাকপুর বাজার পর্যন্ত মোট ১১ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এসড়ক দিয়ে সাধারন মানুষ যানবাহনে প্রতিদিন জেলা শহর বাগেরহাট যাতায়াত করেন। সড়কের গোবিন্দপুর- খানপুর গ্রামের সীমানা টাটেরহাট সেতুর মোড় থেকে বাগেরহাট- খুলনা মহাসড়কের বারাকপুর বাজার পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়ক ছোট- বড় খানা- খন্দকে পরিপুর্ণ।
গড়কের কার্পেটিং উঠে খানা খন্দকের পাশাপাশি কোথাও কোথাও লম্বালম্বি দেবে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশের মাটি ভেঙ্গে সড়কের কার্পেটিং ধসে পড়েছে। এমন অবস্থা দীর্ঘ ৩-৪ বছর বিরাজ করছে এমনটা জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। বাগেরহাট সড়ক বিভাগ সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ গ্রহন না করায় দিন দিন সড়কটির এমন বেহাল দশা হয়েছে এমনটা মনে করেন তারা। বিকল্প সড়ক না থাকায় এক রকম বাধ্য হয়েই সাধারন মানুষ এ সড়কে চলাচল করছে।
মোংলা ও রামপাল উপজেলার পাশাপাশি বাগেরহাট সদরের খানপুর, সায়েড়া, শ্রীঘাট, সদুল্ল্যাপুর, পোলেরহাট, সুগন্ধি, রনভুমি, রনজিতপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার শত শত মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে জেলা শহর বাগেহাট যাতায়াত করেন। এ সড়কে নিয়মিত যাতায়াত করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রী বলেন গত তিন-চার বছর ধরে তারা এ ভাঙ্গা- চোরা সড়ক দিয়ে যানবাহনে হেলেদুলে চলাচল করছে। এতে সময় মতো গন্তব্যে পৌছাতে বিলম্ব হয় তাদের।
এ সড়কে যাত্রীবাহি কোনো বাস চলাচল করেনা। সাধারন মানুষ মাহেন্দ্র, ইজিবাইক, ব্যাটারি চালিত ভ্যান, মোটর সাইকেল, বাইসাইকেলে চলাচল করেন। ১১ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ফয়লাহাট সেতুর মোড় থেকে গোবিন্দপুর—খানপুর- রনজিতপুর রাস্তার ত্রিমোড় পর্যন্ত মাত্র ৪ কিলোমিটার সড়ক ভালো আছে। এই ৪ কিলোমিটার সড়কে মানুষ সহজে চলাচল করতে পারছে।
এ সড়কে দীর্ঘদিন ধরে মাহেন্দ্র চালান এমন একজন চালক বলেন ফয়লাহাট সেতুর মোড় থেকে গোবিন্দপুর-খানপুর— রনজিতপুর মোড় পর্যন্ত চলাচলে কোনো বাধা নেই। খানপুর রাস্তায় চাকা রাখলে ভয় লাগে। খানা-খন্দক পার হতে গিয়ে প্রায়ই অনেক সময় বিকল হয়ে যায় ইঞ্জিন। হেলেদুলে খান খন্দক পার হতে গিয়ে উল্টে পড়ার ভয় থাকে। একজন ইজিবাইকের চালক বলেন অনেক সময় খানা খন্দক পার হতে গিয়ে গাড়ি উল্টে যায়। সাবধানে চালাতে হয়। রাস্তায় প্রায়ই ইঞ্জিন বিকল হয়। বিকল্প সড়ক না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই চালাচ্ছি।
এ ব্যপারে বাগেরহাট সড়ক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয় সড়কটি সংস্কারের উদ্যেগ নেয়া হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে এ বছরই সংস্কার কাজ করা হবে।