/ শরণখোলায় কিশোরী হত্যাকান্ডের ৩ দিনের মাথায় রহস্য উদঘাটন

শরণখোলায় কিশোরী হত্যাকান্ডের ৩ দিনের মাথায় রহস্য উদঘাটন

গ্রেফতার ৩ জনের মধ্যে একজনের স্বীকারোক্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা,শরণখোলা (বাগেরহাট) শরণখোলায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী ফাতেমা আক্তার ওরফে রিয়া মনি (১৬) হত্যাকান্ডের তিন দিনের মাথায় হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে শরণখোলা থানা পুলিশ। গ্রেফতার হয়েছে তিন আসামী। আসামী মিজান ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জানিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে।


শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামিনুল হক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রিয়া মনি হত্যাকান্ডের তিনদিনের মাথায় হত্যার রহস্য উদঘাটনের কথা জানিয়ে বলেন, ২৫ মার্চ শরণখোলা থানায় চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের মামলা দায়ের হওয়ার পরে পুলিশের একাধিক টীম মাঠে তদন্ত শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠায়। আটককৃত আসামীরা হচ্ছে, রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫), মোঃ মিজানুর রহমান (২৩) এবং তুহিন (২১)। এদের মধ্যে আসামী মিজানুর রহমান শুক্রবার বাগেরহাট মেজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকান্ডে নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। নিহত রিয়া মনি হানিট্রাপে টাকা আদায় ও আসামীদের সাথে রিয়া মনির শারিরিক সম্পর্ক ও মাদকদ্রব্য কেনাবেচা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আসামীরা রিয়া মনিকে হত্যা করেছে। অন্য আসামীদের আটক করার অভিযান চলছে বলে ওসি জানিয়েছেন।


গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম রাজৈর গ্রামের একটি মসজিদের সামনের রাস্তার উপর থেকে কিশোরী ফাতেমা আক্তার রিয়া মনির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রিয়া মনির পিতা মোঃ আজিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫/৬ জন আসামীর নামে শরণখোলায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।