নড়াইল প্রতিনি : সংস্কৃতির উর্বরভূমি নড়াইল জেলায় একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছে। গত শনিবার বিকাল ৫টার দিকে সদর উপজেলার বিছালীতে নজরুল সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র ‘ অগ্নিবীণা’ আয়োজিত বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কৃষক মেলা ও সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তাবনা শীর্ষক সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।
সভায় নড়াইলে সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকি দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি যশোর সিটি কলেজের অধ্যাপক ড. সবুজ শামীম আহসান, কৃষ্টিবন্ধন, যশোরের সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম অমিয়, যশোর ভবদহ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল মতলব সরদার, নড়াইল জেলা অগ্নিবীণা সভাপতি কল্যাণ মুখার্জি, নড়াইল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ইমাম হোসেন সেলিম, নড়াইল কালেক্টরেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক উজির আলী, শিক্ষক ও কবি আব্দুল হান্নান সহ অনেকে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অগ্নিবীণা চেয়ারম্যান এইচ এম সিরাজ।
বক্তারা বলেন,‘ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি সমৃদ্ধ ও গৌরবোজ্জ্বল জেলা নড়াইল। চিত্রা, মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী বিধৌত এ জেলা শিল্প-সাহিত্য ও বীরত্বের জন্য বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতান, সাহিত্যিক নিহাররঞ্জন গুপ্ত, সেতার বাদক রবি শংকর, নৃত্যশিল্পী উদয় শংকর, প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক কমল দাশ গুপ্ত, কবিয়াল বিজয় সরকার, জারী সম্রাট মোসলেম উদ্দিনসহ অসংখ্য জ্ঞানী গুণীর জন্মস্থান নড়াইল। দেশের ৭জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের বাড়ি নড়াইল। নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফী বিন মোর্তজাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নড়াইল জেলার সুনাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন হলেও নড়াইল জেলা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। সব কিছু বিবেচনা করে এ জেলায় বিশেষ বিবেচনায় একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে কৃষকদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নড়াইল প্রতিনিঃ সংস্কৃতির উর্বরভূমি নড়াইল জেলায় একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছে। গত শনিবার বিকাল ৫টার দিকে সদর উপজেলার বিছালীতে নজরুল সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র ‘ অগ্নিবীণা’ আয়োজিত বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কৃষক মেলা ও সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তাবনা শীর্ষক সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।
সভায় নড়াইলে সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকি দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি যশোর সিটি কলেজের অধ্যাপক ড. সবুজ শামীম আহসান, কৃষ্টিবন্ধন, যশোরের সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম অমিয়, যশোর ভবদহ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল মতলব সরদার, নড়াইল জেলা অগ্নিবীণা সভাপতি কল্যাণ মুখার্জি, নড়াইল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ইমাম হোসেন সেলিম, নড়াইল কালেক্টরেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক উজির আলী, শিক্ষক ও কবি আব্দুল হান্নান সহ অনেকে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অগ্নিবীণা চেয়ারম্যান এইচ এম সিরাজ।
বক্তারা বলেন,‘ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি সমৃদ্ধ ও গৌরবোজ্জ্বল জেলা নড়াইল। চিত্রা, মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী বিধৌত এ জেলা শিল্প-সাহিত্য ও বীরত্বের জন্য বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতান, সাহিত্যিক নিহাররঞ্জন গুপ্ত, সেতার বাদক রবি শংকর, নৃত্যশিল্পী উদয় শংকর, প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক কমল দাশ গুপ্ত, কবিয়াল বিজয় সরকার, জারী সম্রাট মোসলেম উদ্দিনসহ অসংখ্য জ্ঞানী গুণীর জন্মস্থান নড়াইল। দেশের ৭জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের বাড়ি নড়াইল। নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফী বিন মোর্তজাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নড়াইল জেলার সুনাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন হলেও নড়াইল জেলা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। সব কিছু বিবেচনা করে এ জেলায় বিশেষ বিবেচনায় একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে কৃষকদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।