/ খুলনা চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা, উদ্বিগ্ন ভোটাররা

খুলনা চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা, উদ্বিগ্ন ভোটাররা

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন নিয়ে ফের আইনী জটিলতা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের তফসিলের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে উচ্চ আদালতে করা মামলার বিষয়ে গতকাল বুধবার প্রার্থীদের একটি অংশ নতুন শুনানীর আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা ব্যবসায়ী ও আদালতকে না জানিয়ে তফসিল সংশোধন করা হয়েছে বলে জানান। আদালত আগামী মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে শুনানীর দিন ধার্য করেছেন। এ অবস্থায় নির্বাচনী তৎপরতা আবারও থমকে গেছে।


জানা গেছে, চেম্বার অব কমার্সে আইন লংঘন করে ৮৯৮ জন নতুন সদস্য করা হয়েছে, এমন দাবি করে গত ৭ জুলাই উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন (যার নং ৮৭৯১/২০২৬) বদরুল আনাম খান। আদালত নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যানের ওপর রুল নিশি জারি করেন এবং একই সঙ্গে তফসিল এক মাসের জন্য স্থগিত করে ৪ আগস্টের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। চেম্বারের নির্বাচনী বোর্ড ৪ আগস্ট উত্তর প্রদান করেন এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশের এক মাস পূর্ণ হওয়ায় গত ১২ আগস্ট প্রার্থীদের কাছ থেকে মতামত নিয়ে সংশোধিত তফসিল প্রকাশ করেন। এই মামলায় সভাপতি প্রার্থী কাজী হাফিজুর রহমানের অনুসারীরাও পক্ষ ভুক্ত হন।


সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ১২ আগস্ট বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ হয়। প্রার্থীরাও গণসংযোগ শুরু করেন। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ১৬ আগস্ট আপত্তি দাখিল করেন। ১৭ আগস্ট সেই আপলি নিষ্পত্তি করা হয়। একই দিন বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু কাজী হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের শীর্ষ দুই ব্যক্তির মনোনয়নপত্র ফেরত না পাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হতে থাকে।


সূত্রটি জানায়, ১৮ ও ১৯ আগস্ট ছিল প্রার্থীতা প্রত্যাহারের তারিখ। দিনভর ব্যবসায়ীদের একটি অংশকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু দিন শেষ ওই প্যানেলের কেউই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। অন্য প্যানেলে একাধিক পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
সূত্রটি জানায়, মনোনয়নপত্র ফেরত ও প্রত্যাহার নিয়ে টানোপোড়েন চলা অবস্থায় আগের মামলায় পক্ষ ভুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা উচ্চ আদালতে যান। তারা অনিয়মের মাধ্যমে তফসিল সংশোধন হয়েছে মর্মে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। আগামী মঙ্গলবার আবেদনের শুনানীর দিন ধার্য করেছেন।


চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন, নির্বাচনের সব কার্যক্রম ও প্রস্তুতি স্বাভাবিকভাবে চলছে। এখন উচ্চ আদালত বিষয়টি নিয়ে শুনানীর নতুন তারিখ নির্ধারণ করায় আইনী জটিলতা তৈরি হয়েছে। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিতে নির্বাচন বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে কিনা জানতে, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড খুলনার পরিচালক (উপ-সচিব) মো. শাহীনুজ্জামানের যোগাযোগ করা হয়। অসংখ্যবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি