নিজস্ব সংবাদাদতা,কেশবপুর (যশোর) : কেশবপুর উপজেলা ব্যাপী পানির স্তর অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আগাম নেমে যাচ্ছে।ইতোমধ্যে ৩ থেকে ৪ ফুট নিচে নেমে গেছে পানির র্স্ত। যেকারনে প্রায় প্রতিটা হস্থ চালিত নলকুপে পানি উঠছে কম।কেশবপুর উপজেলায় ৪১৮ টি গভির নলকুপ রয়েছে। বর্তমানে প্রতিটা নলকুপে ৩ থেকে ৪ফুট পানির স্তর নিচে নেমে দাঁড়িয়েছে ২২ থেকে ২৫ ফুট নিচে।অন্যান্য বছর এসময় এতো নিচে পানির স্তর সাধারনত নামেনা। এভাবে পানির স্তর নেমে যাওয়া অব্যাহত থাকলে ৩০ ফুট বা তার নিচে এই স্তর নেমে গেলে এএলাকার কোন নলকুপে পানি ওঠবে না বলে জানান উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রোকৌলী কর্মকর্তা রায়হান আহমদ বাপ্পী।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রোকৌশলী অফিসের কর্মকর্তা রায়হান আহমদ বাপ্পী জানান কেশবপুর উপজেলার পৌর সভা,কেশবপুর সদর ইউনিয়ন,মঙ্গলকোট ইউনিয়ন,বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন,মজিদপুর ইউনিয়ন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন গুলোর অধিকাংশ গ্রাম নলকুপের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ঝুকিতে রয়েছে। মার্চ এপ্রিলে পানির স্তর সবথেকে বেশী নেমে যায়। এরমধ্যে আশানুরুপ বৃষ্টি না হলে নলকুপ গুলোতে ৩০ ফুটের নিচে এই পানির লেয়ার নেমে গেলেই বিপদের বড় ধরনের আশংকা রয়েছে।তিনি জানান আমাদের এলাকায় সাধারনত ৩০ফুটের মধ্যেই পানির স্তর থেকে যায়। তারপরও অনেক নলকুপে পানি না ওঠার কারনে মানুষের দূর্ভোগ পোহাতে হয়।অবশ্য এ অবস্থা হয়ে থাকে মার্চ বা এপ্রিল মাসে কিন্ত এবার ফেব্রুয়ারি মাসেই পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া কেশবপুর বাসীর জন্য দুঃখ জনক।তবে তিনি জানান পৌর সভার মধ্যে হয়ত;তেমন সমস্যা হবেনা । কারন পৌর সভার মধ্যে সাপ্লাই পানির ব্যবস্থা রয়েছে। সেটা কয়েকটি গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়েছে পৌর সভা এলাকার বাইরেও। এখানে নরকুপে পানির সংকট দেখা দিলেও ওই সব স্থান থেকে সাপ্লাই পানি এনে সেটার প্রয়োজন মেটানো যাবে। এসুযোগ পৌরসভার বাইরে নেই যেকারনে তাদের ঝুকি বেশী।