/ নুন আনতে পান্তা ফুরানো মৎস্যজীবীর সন্তান ৪৭তম বিসিএস ক্যাডার

নুন আনতে পান্তা ফুরানো মৎস্যজীবীর সন্তান ৪৭তম বিসিএস ক্যাডার

“খুলনার নৌবাহিনী স্কুলে অর্থের অভাবে গ্রামে ফিরে যাই “

৪৪ ও ৪৫তম বিসিএস -এ প্রিলি ফেল, ৪৬-এ প্রিলি পাস করলেও নেমে আসে গ্রিক ট্রাজেডি

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে গেলে শুধু মেধা বা দুর্দান্ত রেজাল্টই শেষ কথা নয়; এর পাশাপাশি একটা পাকাপোক্ত রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডেরও প্রয়োজন হয়

পরিশ্রমী বাবার মুখ, মায়ের চোখের জল আর বড় ভাইয়ের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ এবং বউয়ের অনুপ্রেরণা ছিল আমার সবচেয়ে বড় মোটিভেশন

“যে ছেলেটি ছোটবেলা থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত অন্যের বাড়িতে লজিং থেকে খেয়ে-না খেয়ে বড় হয়েছে, সে কেন আজ মাঝপথে হাল ছাড়বে?”

নানান প্রতিকূলতা সত্বেও সোনার হরিণ অর্জন করেছেন মফস্বল থেকে উঠে আসা মেধাবী ছাত্র মোঃ শরিফুল ইসলাম। পরপর দু’বার প্রিলিতে ব্যার্থ হওয়ার পরও মনোবল হারাননি দরিদ্র মৎস্যজীবীর এ সন্তান। ৪৬তম বিসিএস -এ শারিরীক অসুস্থতার কারণে লিখিত পরীক্ষায় বসতে পারেনি। কোনোকিছুই আটকাতে পারেনি মোঃ শরিফুল ইসলামকে।সব চড়াই-উতরায় পেরিয়ে পেলেন ৪৭তম শিক্ষা ক্যাডার।

পরিশ্রমী বাবার মুখ, মায়ের চোখের জল আর বড় ভাইয়ের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ এবং বউয়ের অনুপ্রেরণা ছিল তার সবচেয়ে বড় মোটিভেশন। সাফল্যের গল্প, প্রস্তুতির কৌশল, চ্যালেঞ্জ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং তরুণদের জন্য বার্তা নিয়ে দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন মোঃ শরিফুল ইসলাম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মোহাঃ রহমাতুল্লাহ

দৈনিক পূর্বাঞ্চল : প্রথমেই অভিনন্দন। অবশেষে ক্যাডার পেলেন। অনুভূতি কেমন?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: আপনার যাত্রা, সংগ্রাম, প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আমার জীবনের যাত্রাটা আর দশটা মানুষের মতো সহজ বা মসৃণ ছিল না। মৎস্যজীবী বাবার সন্তান হিসেবে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর সংসার। পড়াশোনা চালানো যেখানে এক প্রকার অনিশ্চিত ছিল, সেখানে সব প্রতিকূলতাকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছি। বাবা-মায়ের অন্তহীন দোয়া। বড় ভাইয়ের নিঃস্বার্থ সাহস ও সমর্থন। ২০২৩ সালে মাস্টার্স শেষ করার পর আমি বিসিএসের মূল প্রস্তুতি শুরু করি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জীবনের প্রধান লক্ষ্য হলো— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা যে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে যোগদান করা। এবং দেশের গবেষণা খাতে বড় অবদান রাখা। পাশাপাশি, আমার দীর্ঘ সংগ্রামের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করা। মেধা থাকা সত্ত্বেও কোনো অভাবী বা মৎস্যজীবী বাবার শিশু মাঝপথে ঝরে না পড়ে।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল : আপনার শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো কী?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আমার শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপই ছিল নাটকীয় এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। মূল টার্নিং পয়েন্ট শুরু হয় যখন আমি প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় বসি। সেই পরীক্ষায় খুলনা বিভাগের মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করি। তখন থেকেই বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু। এরপর বড় প্রতিষ্ঠানে পড়ার আশায় খুলনার ব্যয়বহুল ‘নৌবাহিনী কলেজে’ ভর্তি হই। কিন্তু কিছুদিন পর খরচ জোগাতে না পেরে বাধ্য হয়ে নিজ ভূমি কয়রায় ফিরে আসি। এবং নিজের মতো পড়তে থাকি। এরপর এইচএসসিতে এ+ না পেয়ে মানসিকভাবে প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছিলাম। তখন অনুপ্রেরণার আশ্রয়স্থল হয়ে পাশে দাঁড়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই মঈনউদ্দীন মনোয়ার। তিনি আমাকে সাহস দিয়ে বলেন, “এ+ জীবনের সবকিছু না, তুই কোচিংয়ে ভর্তি পুনরায় টেবিলে বস, ঢাবিতে চান্স পাবি।” কিন্তু টাকার অভাবে যখন কোচিং করা অসম্ভব। তখন খুলনার ইউনিএইড কোচিংয়ের তৎকালীন পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম ভাই নিজ এলাকার ছেলে হিসেবে আমাকে এক প্রকার ফ্রিতে ভর্তি করান। তাদের এই নিঃস্বার্থ সহযোগিতা আর আমার কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আমি শেষ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকিট পেয়ে যাই।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল :কবে থেকে বিসিএসের প্রস্তুতি শুরু করেন? এবং কত বছর প্রস্তুতি নিয়েছেন?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আমি ২০২৩ সালের এপ্রিলে মাস্টার্সের রেজাল্ট পাওয়ার পর থেকে মূলত বিসিএসের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি শুরু করি। সেই হিসেবে প্রায় ৩ বছর আমি একাগ্রতার সাথে এই জার্নিটা চালিয়ে গিয়েছি।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল :চাকরির পাশাপাশি প্রস্তুতি নিয়েছিলেন কিনা এবং প্রতিদিন কত ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আমার কাছে কখনো এটা ম্যাটার করত না যে আমি ঘড়ি ধরে কত ঘণ্টা পড়ছি। বরং দিন ও রাতের মধ্যে যতক্ষণ পড়ার পর নিজের ভেতর একটা ‘সেলফ-স্যাটিসফ্যাকশন’ বা আত্মতৃপ্তি আসত, আমি ততক্ষণই পড়তাম। ২০২৩ সালে মাস্টার্স শেষ করার পর থেকে ২০২৫ সালের মে মাসে কলেজে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত এই ২ বছরেই আমি মূলত বিসিএসের সিংহভাগ প্রস্তুতি সেরে ফেলি। তবে ২০২৫ সালের মে মাসে যখন শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিলাম। তখন ফুল-টাইম চাকরির কারণে পড়াশোনার সময় বের করাটা প্রচণ্ড কঠিন হয়ে পড়েছিল। তারপরও আমি দমে যাইনি; দায়িত্ব সামলানোর পর যতটুকু সময় পেতাম, সর্বোচ্চটা দিয়ে পড়ার চেষ্টা করতাম।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল :কোন বই ও কৌশল সবচেয়ে বেশি সহায়ক ছিল?
আমি কোনো নির্দিষ্ট গাইডের ওপর অন্ধভাবে নির্ভর না। টেক্সটবুক এবং বেসিক বইগুলোর ওপর জোর দিয়েছিলাম। বইয়ের মধ্যে অগ্রদূত এবং এমপি থ্রি সিরিজ আমাকে দারুণভাবে সাহায্য করেছে। আর বিশেষ টেকনিক্যাল সাপোর্ট এবং আমার কৌশলের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল ‘লাইভ এমসিকিউ’ অ্যাপটি। এটি আমার প্রস্তুতিতে ব্যাপক হেল্প করেছে। বিশেষ করে কলেজে জয়েন করার পর যখন সময় বের করা কঠিন হতো। কলেজে গিয়েও সামান্য ফাঁকা সময় পেলেই ফোনটা বের করে এই অ্যাপে পরীক্ষা দিয়ে দিতাম। এই কৌশলটি আমাকে পড়ার মধ্যে ইনভলভড রাখতে দারুণ কাজে দিয়েছে।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল :প্রস্তুতির সময় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী ছিল?
মোঃ শরিফুল ইসলাম :সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ২০২৫-এর মে মাসে শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজে যোগ দেওয়ার পর। চাকরি এবং পড়াশোনার মধ্যে ব্যালেন্স করা খুবই কষ্টকর। একদিকে ক্লাসরুমে শিক্ষকতা, অন্যদিকে নিজে পরীক্ষার্থী হিসেবে মেধা ধরে রাখা।—দিনশেষে নিজের মানসিক ও শারীরিক এনার্জি ধরে রাখাটাই ছিল একটা যুদ্ধ।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল :একাডেমিক লাইফে বিসিএসের প্রতি আগ্রহ কেমন ছিল বা ক্যাডার পাওয়ার পেছনের গল্প কেমন?
মোঃ শরিফুল ইসলাম :সত্যি বলতে, একাডেমিক লাইফে বিসিএসের প্রতি আমার তেমন কোনো আগ্রহই ছিল না। তখন আমার একমাত্র স্বপ্ন ছিল অনার্স-মাস্টার্সে প্রথম হবো। নিজের বিভাগ অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেবো। কিন্তু মাস্টার্স শেষ করার পর আমি আমাদের দেশের এক চরম বাস্তবতার মুখোমুখি হই। বুঝতে পারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে গেলে শুধু মেধা বা দুর্দান্ত রেজাল্টই শেষ কথা নয়; এর পাশাপাশি একটা পাকাপোক্ত রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডেরও প্রয়োজন হয়। যা আমার মতো সাধারণ পরিবারের একটি ছেলের পক্ষে থাকা সম্ভব ছিল না। এই স্বপ্নভঙ্গের বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে আমি আর এক মুহূর্তও দেরি করিনি, তৎক্ষণাৎ বিসিএসের প্রস্তুতি শুরু করে দেই। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার সেই স্বপ্ন আমার এখনও ভাঙেনি।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল :কোচিংয়ের ওপর নির্ভর করেছিলেন নাকি স্বশিক্ষার ওপর?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আমি সম্পূর্ণভাবে স্বশিক্ষা বা সেলফ-স্টাডির ওপর নির্ভর করেছি। নিজের শক্তি এবং দুর্বলতা বুঝে নিজে রুটিন তৈরি করে পড়াশোনা করেছি।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ জীবনের উল্লেখযোগ্য অর্জন কি কি?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: আমার জীবনের সেরা অর্জন হলো—দাখিল পরীক্ষায় খুলনা বিভাগের মধ্যে ১ম হওয়া। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকল্যাণ বিষয়ে অনার্স এবং মাস্টার্স উভয় পরীক্ষাতেই যথাক্রমে সিজিপিএ ৩.৮৫ এবং ৩.৯৫ পেয়ে প্রথম (১ম স্থান) হওয়ার গৌরব অর্জন করা।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: ছাত্রজীবনে কি শিক্ষকতা, গবেষণা বা সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন?
মোঃ শরিফুল ইসলাম: হ্যাঁ, ছাত্রজীবন থেকেই টিউশন করেয়েছি। পাশাপাশি অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ থেকে আজ অবধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজের সাথে যুক্ত আছি। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলা পরিচালনা ও সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলাম। বর্তমানে আমি ২০২৫ সালের মে মাস থেকে শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজে সমাজকল্যাণ বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছি।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: সংগ্রাম ও পরিশ্রমের ফল কেমন?
মোঃ শরিফুল ইসলাম :আমার আসল সংগ্রাম শুরু হয় ছোটবেলাতেই। পারিবারিক ও আর্থিক অনটনের কারণে ক্লাস টেন পর্যন্ত আমাকে অন্যের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতে হয়েছে। নিজের বলতে কোনো পড়ার টেবিল ছিল না। পরিবারের অন্য কেউ লেখাপড়া জানেন না বললেই চলে। সেই শূন্য থেকে শুরু করে মাদ্রাসা বোর্ডে বিভাগীয় প্রথম হওয়া, ঢাবিতে ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া, ৪৪ ও ৪৫-এ প্রিলি ফেল এবং ৪৬-এ ডেঙ্গুর কারণে রিটেন দিতে না পারার মতো একের পর এক স্বপ্নভঙ্গের ধাক্কা সামলে আজ বিসিএস ক্যাডার হওয়া—এই পুরো পথটাই ছিল তীব্র জেদ, চোখের জল, পরিশ্রম আর বারবার ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: আপনার শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো কী?
শরিফুল ইসলাম: প্রত্যন্ত এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে দাখিলে খুলনা বিভাগে প্রথম হই। পরে আর্থিক সংকটে নৌবাহিনী কলেজ ছেড়ে নিজ এলাকায় ফিরে পড়াশোনা চালিয়ে যাই। এইচএসসিতে প্রত্যাশিত ফল না পেলেও বড় ভাই ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা এবং ইউনিএইড কোচিংয়ের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: কখনো কি হতাশ হয়েছেন?
শরিফুল ইসলাম: ৪৪ ও ৪৫তম বিসিএস প্রিলিতে ব্যর্থ হই। ৪৬তম বিসিএসের রিটেন পরীক্ষার আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পরীক্ষাই দিতে পারিনি। তবে হাল ছাড়িনি। ৪৭তম বিসিএসেই প্রথম রিটেনে অংশ নিয়ে ক্যাডার হই। বাবা-মা, বড় ভাই ও স্ত্রীর অনুপ্রেরণাই ছিল আমার শক্তি।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে আপনার লক্ষ্য কী?
শরিফুল ইসলাম: সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় নিয়ে আসতে চাই, যাতে আর্থিক অভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী ঝরে না পড়ে।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: শিক্ষাব্যবস্থায় কী পরিবর্তন দেখতে চান?
শরিফুল ইসলাম: জিপিএ ও মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে ব্যবহারিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং মেধাভিত্তিক মূল্যায়নকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল: বিসিএস প্রত্যাশীদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
শরিফুল ইসলাম: বিসিএস একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির বিষয়। সিলেবাস বুঝে পরিকল্পিতভাবে পড়তে হবে। ধৈর্য, মানসিক দৃঢ়তা ও ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতাই সফলতার মূল চাবিকাঠি।

দৈনিক পূর্বাঞ্চল : আপনাকে ধন্যবাদ।
মোঃ শরিফুল ইসলাম : আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ।