/ ডুমুরিয়ার বিজলীঘাটা মহাশ্মশানের একমাত্র সড়ক বিলীন হওয়ার পথে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

ডুমুরিয়ার বিজলীঘাটা মহাশ্মশানের একমাত্র সড়ক বিলীন হওয়ার পথে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আনোয়ার হোসেন আকুঞ্জী, ডুমুরিয়া (খুলনা) ॥
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রঘুনাথপুর ও রংপুর ইউনিয়নের থুকড়া বিজলীঘাটা মহাশ্মশানের একমাত্র চলাচলের সড়কটি দিন দিন ভেঙে মাছের ঘেরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে| এমন কি মৃত ব্যক্তির লাশ কাঁধে নিয়ে বাজার ঘুরে যেতে হয়| দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী|


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার থুকড়া কাছারী বাড়ি আর,আর,জি,টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত, বিদ্যালয়ের ঐ মাছের ঘেরে পানির চাপে সড়কটির বড় অংশ নষ্ট হয়ে গেছে| ফলে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর| বিশেষ করে বিজলীঘাটা মহাশ্মশানে যাতায়াতের জন্য হিন্দু ধর্মাবল¤^ীদের এটি একমাত্র রাস্তা| কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভাঙতে ভাঙতে সড়কটি প্রায় ঘেরের মধ্যে বিলীন হয়ে যাওয়ায় মৃত ব্যক্তিদের নিয়ে শ্মশানে যেতে এখন অনেক দূর ঘুরে থুকড়া বাজার হয়ে যেতে হচ্ছে, যা নারী ও বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে|


রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ আব্দুল সালাম বলেন, “বিজলীঘাটা মহাশ্মশানের রাস্তার দুরবস্থার বিষয়ে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর লবির সঙ্গে কথা হয়েছে| তিনি একটি লিখিত আবেদন দিতে বলেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত বরাদ্দ দেওয়া হবে|”
এ বিষয়ে ১২নং রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সমরেশ মন্ডল ও ২নং রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোজিৎ বালা বলেন, “এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক| বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি|”


ডুমুরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ ফ্রন্টের সম্পাদক নীল উৎপল মণ্ডল বলেন, “এই মহাশ্মশানটি আমাদের শেষ ঠিকানা| অথচ সেখানে মৃত্যু ব্যক্তি নিয়ে যাওয়ার রাস্তাটি এখন প্রায় নেই বললেই চলে| এটি সংস্কার করা খুবই জরুরি|”


এলাকার সমাজসেবক ডা. অনুপম মল্লিক বলেন, “রাস্তটি ভেঙে ঘেরের মধ্যে চলে যাচ্ছে| জনস্বার্থে অবিলম্বে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে এটি পুননির্&মাণ করা প্রয়োজন| তাছাড়া এই রাস্তাটি রংপুর ইউনিয়ন বাসীর পহ্ম থেকে সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি| স্থানীয় প্রবিন কবিরাজ জানান, “অনেকদিন ধরেই রাস্তটি ভাঙছে| আগে এই পথেই মৃত্যু মানুষ নিয়ে চলাচল করত, এখন বাধ্য হয়ে ঘুরপথে থুকড়া বাজার হয়ে যেতে হচ্ছে|”