/ অগ্নিকান্ডের ক্ষত কাটিয়ে আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে খুলনা সিটি মেডিকেল হাসপাতাল

অগ্নিকান্ডের ক্ষত কাটিয়ে আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে খুলনা সিটি মেডিকেল হাসপাতাল

বিকাল থেকে রোগী দেখবেন চিকিৎসকরা, কাল থেকে ভর্তি নেওয়া হবে

স্টাফ রিপোর্টার : অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতি কাটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার থেকে চালু হচ্ছে খুলনার বেসরকারি পর্যায়ের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল| প্রথম পর্যায়ে আগামীকাল বিকেলে বর্হিবিভাগ, কনসালটেশন সেন্টার এবং ডায়ালাইসিস বিভাগ চালু হবে| আগামী শুক্রবার থেকে রোগী ভর্তিসহ আন্তঃবিভাগের সব কার্যক্রম চালু হবে|


মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি চালু হয়েছে স্বস্তি ফিরেছে। সেখানকার চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে| আড়াইশ’ শয্যার এই হাসপাতালে তিনটি শিফটে ১ হাজার ৩৮৫ জন মানুষ কাজ করতেন| অগ্নিকাণ্ডের পর সবার মাঝেই চাকরি হারানোর ভয় নেমে এসেছিল|


গত ১১ জুন রাত সাড়ে ৯টায় নগরীর ময়লাপোতা মোড়ের বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেজমেন্টে আগুন লাগে| ওই সময় ১৭ তলা হাসপাতাল ভবনটিতে প্রায় আড়াইশো রোগী ভর্তি ছিলেন| ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট আড়াই ঘণ্টার মধ্যে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনে| কিন্তু ধোয়া ওপরের তলায় ছড়িয়ে পড়লে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়| ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী, সরকারের স্বাস্থ বিভাগসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের কর্মীরা রাতভর চেষ্টা চালিয়ে ২৫০ জন রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যায়| আগুনে ৩৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের| তবে ক্ষতি নিরূপনে ফায়ার সার্ভিসের গঠন করা কমিটি এখনও তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়নি|
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (এডমিন) মো. হামিদুল ইসলাম খান জানান, আগুনে হাসপাতালের বেজমেন্টে দুটি জেনারেটর, ˆবদ্যুতিক সাবস্টেশন, অক্সিজেন প্লান্ট, মেডিসিন স্টোরের ওষুধ ও মালামাল সবকিছু পুড়ে যায়| আগুন উপরে না পৌঁছায় বর্হিবিভাগ, কনসালটেশন সেন্টার, প্যাথলজি, কেবিন, ওয়ার্ড, ওটি, আইসিইউ, সিসিইউ ইউনিটের কোনো ক্ষতি হয়নি| গত ১৪ দিনে নতুন করে ˆবদ্যুতিক সাবস্টেশন ও অক্সিজেন প্লান্ট ˆতরি করা হয়েছে| বৈদ্যুতিক তার নতুন করে টানা হয়েছে| দুটি জেনারেটর ভাড়া করে হাসপাতাল চালু করছি|


হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোস্তফা কামাল বলেন, খুলনায় মানুষের চিকিৎসা সেবার পরিসর সীমিত| নানাকারণে মানুষ সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল| মানুষকে সহজে সেবা দিতে পেরে আমরাও গর্বিত| সাধারণ রোগীদের কথা চিন্তা করে সবার সহযোগিতায় দ্রুত হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চালু করছি|